সেপ্টেম্বর মাসে বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম

সেপ্টেম্বর মাসে বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম

বাংলাদেশে বাজাজ মোটরসাইকেল খুব বিখ্যাত এবং পপুলার একটি ব্র্যান্ড। দীর্ঘদিন যাবৎ বাজাজ বাংলাদেশে সফলতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বাজাজ হচ্ছে ইন্ডিয়ান মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড। এটি ভারতের বিখ্যাত মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে একটি এবং সেইসাথে বাইক বিক্রির ক্ষেত্রে শীর্ষ তালিকাভুক্ত ব্র্যান্ড৷ এই মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড শুধু ইন্ডিয়া অথবা বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বে অন্যতম জনপ্রিয় একটি মোটরসাইকেল।

বাইক প্রস্তুতকারক কোম্পানী বাজাজ সর্বদা চেষ্টা করে গ্রাহকদের ভালো মানের বাইক সরবরাহ করার। এই কোম্পানি স্পোর্টস স্ট্যান্ডার্ড এবং ক্রুজার সব ধরণের বাইকই কম বেশি উৎপাদন করে থাকে। আর এই মোটরসাইকেল কোম্পানি তাদের বেশ কিছু মোটরসাইকেল সিরিজ আকারে বাজারে নিয়ে এসেছে এবং এগুলো ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে তার মধ্যে বাজাজের ডিসকভার এবং পালসার সিরিজ অন্যতম। সাম্প্রতিক সময়ে বাজাজ পালসার সিরিজের মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রয়কৃত মোটরসাইকেল।

বাংলাদেশের শতকরা ষাট পার্সেন্ট মোটরসাইকেল বাজার, বাজাজ দখল করে আছে। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে বাজাজ বাংলাদেশের মোটরসাইকেল বাজারে অন্য সব কোম্পানির মধ্যে শীর্ষস্থানীয়। বাজাজ অটো বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এবং ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোটর সাইকেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের অন্যতম আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান উত্তরা মটরস বাজাজ মোটরসাইকেলের ক্রেতা পরিবেশক।

বাংলাদেশে বাজাজ মোটরসাইকেল বা বাইক সেক্টরে অনেক সফল। তাদের কিছু মোটরসাইকেল মডেল বাংলাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যেমন, বাজাজ ডিসকভার ১২৫ যা একটি মিডরেঞ্জ স্টাইলিশ এবং ড্যাশিং মোটরসাইকেল হিসেবে অনেক জনপ্রিয়। অন্যদিকে বাজাজের রয়েছে দুর্দান্ত এন্ট্রি লেভেল, জ্বালানি সাশ্রয়ী বাইক যার নাম বাজাজ প্লাটিনা ১০০। বাজাজ পালসার ১৫০ সবচেয়ে রাজকীয়, শক্তিশালী টপ লেভেল স্ট্যান্ডার্ড বাইক, তাছাড়া জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে শীর্ষ স্থানীয় বাইক।

বাজাজ মোটরসাইকেল কমফোর্টেবল, টেকসই এবং সুলভ মূল্যে শক্তিশালী বাইক প্রদানের জন্য পরিচিত। ২০২২ সালে, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। কোম্পানিটি কিছু লেটেস্ট মডেলের বাইকও বাজারে এনেছে। নতুন বাজাজ বাইকের মধ্যে রয়েছে একাধিক ফাংশন, লেটেস্ট টেকনোলজি, অ্যাডভান্স ব্রেকিং সিস্টেম। আসুন বাংলাদেশে বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম ২০২২ সালের সর্বশেষ আপডেট জেনে নিই।

বাংলাদেশে এভেইলেবল বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম এবং সংক্ষিপ্ত স্পেসিফিকেশন্স

বিআরটিএ (বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশে সব ধরণের বাইক আমদানি করার অনুমতি নেই। বিআরটিএ মোটরবাইক আমদানির জন্য ইঞ্জিন সিসি সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে। বর্তমানে দেশে ১৬৫ সিসি এর নিচের ইঞ্জিনের মোটরসাইকেল আমদানি করা যায়। মোটরসাইকেল ইঞ্জিনের সিসি সীমাবদ্ধতার কারণে, বাংলাদেশে সব বাজাজ মোটরসাইকেল মডেল পাওয়া যায় না।

এখানে আমরা বর্তমান বাজারে বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আপডেট জানাবো। এবং নতুন বাজাজ মোটরসাইকেল যেগুলো আসছে, সেগুলোর দাম এবং স্পেসিফিকেশন নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করবো।

Bajaj Pulsar NS 160 FI ABS

মূল্য: ৳২৫৪,৯০০ – ২৬২,৫০০

বাংলাদেশে বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ এফআই এবিএস বাইকটিতে ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিনের সাথে ১৫.৫ পিএস @ ৮৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১৪.৬ NM @ ৬৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৪২ কিমি/লি মাইলেজ এবং ১২০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম কালার ভেদে কিছুটা উঠা-নামা করে। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ডিস্ক ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, অয়েল কুলড ডিটিএসআই ইঞ্জিন

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৪২ কিমি/লি মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৫.৫ পিএস @ ৮৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৪.৬ এনএম @ ৬৫০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে: ডিস্ক এবং রিয়ার: ডিস্ক

Bajaj Pulsar NS 160 Twin Disc ABS

মূল্য: ৳২,১০,০০০

বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ টুইন ডিস্ক এবিএস বাইকটিতে ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিনের সাথে ১৫.৫ পিএস @ ৮৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১৪.৬ এনএম @ ৬৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৪২ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১২০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ডিস্ক ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, অয়েল কুলড ডিটিএসআই ইঞ্জিন

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৪২ কিমি/লি মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৫.৫ পিএস @ ৮৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৪.৬ এনএম @ ৬৫০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে: ডিস্ক এবং রিয়ার: ডিস্ক

Bajaj Pulsar NS 160 Twin Disc

মূল্য: ৳১৯২,৯০০

বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ টুইন ডিস্ক এই নেকেড বাইকে ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিনের সাথে ১৫.৫ @ ৮৫০০ (পিএস @ আরপিএম) সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১৪.৬ @ ৬৫০০ (এনএম @ আরপিএম) সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৪২-৪৫ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১৩০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট: ডিস্ক, রিয়ার: ডিস্ক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: একক-সিলিন্ডার, ৪ স্ট্রোক

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৪২-৪৫ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১৩০ কিমি/এইচ

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৫.৫ @ ৮৫০০ (পিএস @ আরপিএম)

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৪.৬ @ ৬৫০০ (এনএম @ আরপিএম)

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে: ডিস্ক, রিয়ার: ডিস্ক

Bajaj Pulsar NS160 Special Edition

মূল্য: ৳১৮৯,৯০০

বাজাজ পালসার এনএস ১৬০ স্পেশাল এডিশন এই স্পোর্ট বাইকটিতে ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিনের সাথে রয়েছে ১৫.৫ বিএইচপি @ ৮৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ৬৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক এ ১৪.৬ এনএম। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৫০ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১২০ কিমি/এইচ টপ স্পিড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট: ডিস্ক, রিয়ার: ড্রাম।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৬০.৩ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪-ভালভ, অয়েল-কুলড, টুইন স্পার্ক ডিটিএস-আই ইঞ্জিন

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৫০ কিমি/লিঃ (প্রায়) মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১২০ কিমি/ঘন্টা (প্রায়) সর্বোচ্চ গতি

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৫.৫ বিএইচপি @ ৮৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ৬৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক এ ১৪.৬ এনএম

         ৭. ব্রেক: সামনে: ডিস্ক, পিছনে: ড্রাম 

Pulsar 150 TD ABS

মূল্য: ২১২,৯০০ টাকা

এটি বাজাজ পালসার সিরিজের একটি স্পোর্টস ক্যাটাগরির বাইক। বাইকটিতে একটি ১৪৯.৫সিসি ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি ৪-স্ট্রোক, ২-ভালভ, টুইন স্পার্ক কমপ্লায়েন্ট ডিটিএস-এই এফআই ইঞ্জিন। এর সর্বোচ্চ শক্তি হল ১৩.৩ কিলোওয়াট  (১৪ পিএস) @ ৮০০০ আরপিএম  এবং সর্বাধিক টর্ক হল ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম ৷ এটি একটি ৫-স্পীড কনস্ট্যান্ট গিয়ার ব্যবহার করে এবং এর সর্বোচ্চ গতি ১৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। এই বাইকটি প্রতি লিটার জ্বালানিতে গড়ে ৫৫ কিলোমিটার অতিক্রম করতে পারে। এর সাসপেনশন হল টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক যা অ্যান্টি-ফ্রিশন বুশ এবং রিয়ার সাসপেনশন হল নাইট্রোক্স শক অ্যাবজরবার সহ টুইন সাসপেনশন। এই স্পোর্টস বাইকের ব্রেকের ধরণ হচ্ছে এর সামনে ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ড্রাম ধরণের ব্রেক রয়েছে।

         ১. ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৪৯.৫সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪-স্ট্রোক, ২-ভালভ, টুইন স্পার্ক কমপ্লায়েন্ট ডিটিএস-এই এফআই ইঞ্জিন

         ৩. সর্বোচ্চ শক্তি: ৩.৩ কিলোওয়াট  (১৪ পিএস) @ ৮০০০ আরপিএম

         ৪. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম

         ৫. সর্বোচ্চ গতি (অফিসিয়াল): ১২০ কিমি/ঘণ্টা

         ৬. সর্বোচ্চ গতি (ব্যবহারকারী): ১৩৫ কিমি/ঘণ্টা

         ৭. মাইলেজ: কোম্পানির মাইলেজ ৪৫ কিমি/লিঃ; ব্যবহারকারীর মাইলেজ: ৫৫ কিমি/লিঃ 

Pulsar 150 TD

মূল্য: ১৯৮,০০০ টাকা

বাইকটিতে একটি ১৪৯.৫ সিসি ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি ৪-স্ট্রোক, ২-ভালভ, টুইন স্পার্ক কমপ্লায়েন্ট ডিটিএস-আই এফআই ইঞ্জিন। এর সর্বোচ্চ শক্তি ১০.৩ কিলোওয়াট (১৪ পিএস) @ ৮০০০ আরপিএম এবং সর্বাধিক টর্ক হল ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম । এটি একটি ৫-স্পীড কনস্ট্যান্ট গিয়ার ব্যবহার করে এবং এর সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘন্টায় ১২০ কিলোমিটার। এই বাইকটি প্রতি লিটার জ্বালানিতে গড়ে ৪৫-৫৫ কিলোমিটার অতিক্রম করতে পারে। এই বাইকের ডিস্ক ব্রেক স্টাইল হল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ডিস্ক ব্রেক।

         ১. ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৪৯.৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪-স্ট্রোক, ২-ভালভ, টুইন স্পার্ক কমপ্লায়েন্ট ডিটিএস-আই এফআই ইঞ্জিন

         ৩. সর্বোচ্চ শক্তি: ১০.৩ কিলোওয়াট (১৪ পিএস ) @ ৮০০০ আরপিএম

         ৪. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম

         ৫. সর্বোচ্চ গতি (ব্যবহারকারী): ১১৫ কিমি/ঘণ্টা

         ৬. মোট গিয়ার: ৫ স্পিড ম্যানুয়াল

         ৭. কোম্পানির মাইলেজ: ৫৫ কিলোমিটার/লিঃ; ব্যবহারকারীর মাইলেজ: ৪৫ কিমি/লি

Pulsar 150

 মূল্য: ৳১,৮৪,০০০

বাজাজ পালসার ১৫০ এসডি বাইকটিতে ১৫০ সিসি ইঞ্জিন সহ ১৪ পিএস @ ৮০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৬০ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১২০ কিমি/এইচ  টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৫০ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: একক-সিলিন্ডার, ৪-স্ট্রোক

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৬০ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১২০ কিমি/এইচ

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৪ পিএস @ ৮০০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৩.৪ এনএম  @ ৬০০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে: ডিস্ক এবং পিছনে: ড্রাম

Bajaj Pulsar 150 Neon

মূল্য: পালসার নিয়ন ১৫০ (এসডি): ৳১৫৪,৯০০; পালসার নিয়ন ১৫০ (এবিএস): নট এভেইলেবল

বাংলাদেশে বাজাজ পালসার নিয়ন ১৫০ বাইকটিতে ১৪৯.৫ সিসি ইঞ্জিন সহ ১৪ পিএস @ ৮০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৬৫ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১১০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৪৯.৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪-স্ট্রোক, ২-ভালভ, টুইন স্পার্ক, এয়ার কুলড

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৬৫ কিমি/লিঃ  মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১১০ কিমি/ ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৪ পিএস @ ৮০০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে- ডিস্ক এবং পিছনে- ড্রাম

Bajaj Avenger Street 160 (ABS)

মূল্য: ২৪৯,৫০০

বাজাজ এভেঞ্জার ১৬০ (এবিএস) একটি ক্রুজার ধরণের চমৎকার একটি বাইক। এই ক্রুজার বাইকটিতে ১৬০ সিসি ডিস্প্লেসিমেন্ট ইঞ্জিনের সাথে ১৫ এইচপি @ ৮৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১১৩.৫ এনএম @ ৭০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। সাথে রয়েছে টুইন স্পার্ক, ২টি ভাল্ভ এবং ডিটিএস-আই ধরণের ইঞ্জিন। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৩৮ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১০০ কিমি/এইচ টপ স্পীড।বাংলাদেশে এই বাইক নতুন সংযোজন, এই বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম ২০২২ সালে আপডেট হয়েছে এবং নতুন কিছু ভেরিয়েশন যুক্ত করে বাজারে এনেছে।  বাইকের ব্রেকের ধরণ হচ্ছে এর সামনে ২৪০ এম এম ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ১৩০ এম এম ড্রাম ব্রেক রয়েছে।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৬০ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: এয়ার-কুলড, ৪-স্ট্রোক, টুইন স্পার্ক, ২-ভালভ

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৩৮ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৫ এইচপি @ ৮৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১১৩.৫ এনএম @ ৭০০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে: ডিস্ক (এবিএস) এবং পিছনে: ডিস্ক

Bajaj Discover 125 Disc

মূল্য: বাজাজ ডিসকভার ১২৫ ডিস্ক: ৳১,৪৩,৫০০; ডিসকভার ১২৫: ৳১২০,৫০০

বাজাজ ডিসকভার ১২৫ ডিস্ক হচ্ছে বাজাজ ডিসকভার সিরিজের ১২৫ সিসির একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্যাটাগরির বাইক। এই বাইকটিতে ১২৪.৫ সিসি ইঞ্জিনের সাথে ১১ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ১১ এনএম @ ৫৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। বাইকে একটি সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ২টি ভাল্ভ এবং ডিটিএস আই এর সাথে এক্সহাউজ টি ই সি ধরণের ইঞ্জিন রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৮২.৪ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ১০০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। ব্রেকের ধরণ হচ্ছে এর সামনে ২০০ এম এম ডিস্ক ব্রেক এবং পেছনে ১৩০ এম এম ড্রাম ধরণের ব্রেক রয়েছে।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট:১২৪.৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, এয়ার কুলড

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৮২.৪ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১০০ কিমি/এইচ টপ স্পীড

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি:  ১১ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১১ এনএম @ ৫৫০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে: ডিস্ক এবং পিছনে: ড্রাম

Bajaj Discover 110 Disc

মূল্য: বাজাজ ডিসকভার ১১০ ডিস্ক: ৳ ১২৮,৫০০; ডিসকভার ১১০ ড্রাম: ৳ ১১১,৫০০

এই বাইকটিতে ১১৫.৪৫ সিসি ইঞ্জিন সহ ৮.৬ পিএস @ ৭০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ৯.৮১ এনএম@ ৫০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৮২.৪ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ৯৫ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১১৫.৪৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, এয়ার-কুলড, একক-সিলিন্ডার

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৮২.৪ কিমি/লিঃমাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ৯৫ কিমি/এইচ প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ৮.৬ পিএস @ ৭০০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ৯.৮১ এনএম@ ৫০০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে- ডিস্ক এবং পিছনে- ড্রাম

Bajaj Discover 110

মূল্য: বাজাজ ডিসকভার ১১০: ৳ ১১১,৫০০; ড্রাম: ১১১,৫০০, ডিস্ক: ১১২,৫০০

এই বাইকটিতে ১১৫.৪৫ সিসি ইঞ্জিন সহ ৮.৬ পিএস @ ৭০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ৯.৮১ এনএম @ ৫০০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৮২.৪ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ৯৫ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ড্রাম এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১১৫.৪৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, এয়ার-কুলড, একক-সিলিন্ডার

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৮২.৪ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ৯৫ কিমি/ঘন্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ৮.৬ পিএস @ ৭০০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ৯.৮১ এনএম @ ৫০০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে- ড্রাম এবং রিয়ার- ড্রাম

Bajaj CT 100

মূল্য: বাজাজ সিটি ইএস ১০০ মূল্যঃ ১,০৩,৫০০ 

বাজাজ সিটি ১০০ চমৎকার একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্যাটাগরির মোটরসাইকেল। এই বাইকটিতে ১০২ সিসি ইঞ্জিন রয়েছে যার সাথে ৭.৭ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ৫৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক ৮.২৪ এনএম। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৮৯.৫ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ৯০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ড্রাম এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১০২ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: এয়ার কুলড, একক সিলিন্ডার, ৪-স্ট্রোক

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৮৯.৫ কিমি/লিঃ  মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ৯০ কিমি/ঘন্টা (প্রায়)

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ৭.৭ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ৫৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক ৮.২৪ এনএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে- ড্রাম এবং রিয়ার- ড্রাম

Bajaj Platina 110 H

মূল্য: ১২১,০০০ টাকা

বাইকটিতে একটি ১১৫.৪৫ সিসি ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি একক সিলিন্ডার ৪-স্ট্রোক ডিটিএস-আই এয়ার কুলড ইঞ্জিন। এর সর্বোচ্চ শক্তি হল ৬.৩ কিলোওয়াট (৮.৬ পিএস) @ ৭০০০ আরপিএম এবং সর্বাধিক টর্ক হল ৯.৮১ এনএম @ ৫০০০ আরপিএম৷ এটি একটি ৫ গতি (সমস্ত ডাউন শিফট) গিয়ার ব্যবহার করে এবং এর সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘন্টায় ১০৫ কিলোমিটার। এই বাইকটি প্রতি লিটার জ্বালানিতে গড়ে ৬০ কিলোমিটার অতিক্রম করতে পারে।

         ১. ডিসপ্লেসমেন্ট: ১১৫.৪৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: একক সিলিন্ডার ৪-স্ট্রোক ডিটিএস-আই এয়ার কুলড ইঞ্জিন

         ৩. সর্বোচ্চ শক্তি: ৬.৩ কিলোওয়াট (৮.৬ পিএস) @ ৭০০০ আরপিএম

         ৪. সর্বোচ্চ টর্ক: ৯.৮১ এনএম @ ৫০০০ আরপিএম

         ৫. সর্বোচ্চ গতি (অফিসিয়াল): ১০০ কিমি/ঘন্টা (ব্যবহারকারী): ১০৫ কিমি/ঘন্টা

         ৬. মাইলেজ: ৭০ কিমি/লি; ব্যবহারকারীর মাইলেজ: ৫৩ কিমি/লি

Platina 100 ES LED DRL

মূল্য: ৯৪,৯০০ টাকা

প্ল্যাটিনা এখন সামনের এলইডি ডিআরএলের সাথে আরও বেশি স্টাইলিশ, মাস্কুলার লুক, মসৃণ প্যানেল, একটি ক্রোম হিট শিল্ড সহ একটি কালো সাইলেন্সার এবং পিছনের দিকে তরল গ্র্যাব রেল সহ ডিজাইন করা হয়েছে। এটি বাজাজ প্লাটিনা সিরিজের ১০০ সিসির একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্যাটাগরির মোটরসাইকেল। বাইকে একটি সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ২টি ভাল্ভ এবং ডিটিএস আই এর সাথে এক্সহাউজ টি ই সি ধরণের ইঞ্জিনের সাথে ডিস্প্লেসিমেন্ট ইঞ্জিন রয়েছে ১০২ সিসি। বাইকের সর্বচ্চ স্পিড রয়েছে ৯০ কিলোমিটার/ঘন্টা এবং এর মাইলিয়েজ প্রতি লিটারে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এই বাইকের ব্রেকের ধরণ হচ্ছে এর সামনে এবং পেছনে উভয় দিকেই ১১০ এম এম ড্রাম ধরণের ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিনের ধরন: একক সিলিন্ডার ২-ভালভ ডিটিএস-আই ইঞ্জিন সহ এক্সহস্টটেক

         ২. সর্বোচ্চ শক্তি: ৮.০২ পিএস

         ৩. সর্বোচ্চ টর্ক: ৮.০৬ এনএম

         ৪. ডিসপ্লেসমেন্ট: ১০২ সিসি

         ৫. মাইলেজ: ৭০ কিমি/লি

Bajaj Platina 100 KS

বাজাজ প্লাটিনা ১০০ ই এস: ৳৯৪,৯০০; প্লাটিনা ১০০ কেএস: ৳ ৯৬,৯০০

এই বাইকটিতে ১০২ সিসি ইঞ্জিন সহ ৭.৯ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ শক্তি এবং ৮.৩৪ এনএম @ ৫৫০০ আরপিএম সর্বোচ্চ টর্ক রয়েছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ৯০-৯৫ কিমি/লিঃ মাইলেজ এবং ৯০ কিমি/এইচ টপ স্পীড। এই বাইকের ব্রেকিং স্টাইল হল ফ্রন্ট ড্রাম এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১০২ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: একক সিল, ২-ভালভ

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৯৬.৯ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ৯০ কিমি/ঘন্টা (প্রায়)

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ৭.৯ পিএস @ ৭৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ৮.৩৪ এনএম @ ৫৫০০ আরপিএম

         ৭. ব্রেক স্টাইল: সামনে- ড্রাম এবং রিয়ার- ড্রাম

Bajaj V15

মূল্য: ৳১৫৯,৫০০

বাজাজ ভি ১৫ বাইকেরদের কাছে একটি আদর্শ বাইক, সুলভ দামের জন্য এটি সবার পছন্দের। বাইকটি ১৪৯.৫ সিসি ইঞ্জিন দ্বারা চালিত যা ৫৭ কিমি/লি এর মাইলেজ দেয়। ভি ১৫-এ একটি সিঙ্গেল সিলিন্ডার, 4টি স্ট্রোক, প্রতি সিলিন্ডারে 2টি ভালভ রয়েছে, একটি 5-স্পীড গিয়ারবক্স সহ এয়ার-কুলড ইঞ্জিন রয়েছে। সামনের এবং পিছনের সাসপেনশন বাইকটি দেখতে আরও ফ্যাশনেবল করে তুলেছে। বাইকটির পরবর্তী সংস্করণে একটি গিয়ার ইনডিকেটর সংযুক্ত হতে পারে।

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৪৯.৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: একক সিলিন্ডার, ৪ স্ট্রোক, ২ ভালভ

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৫৫ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. শীর্ষ গতির ক্ষমতা: ১১৫ কিমি/এইচ

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৩ পিএস @ ৮০০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৩ এনএম@ ৬০০০ আরপিএম

         ৭. ওজন: ১৩৫.৫ কেজি

         ৮. ব্রেক স্টাইল: ব্রেক ফ্রন্ট- ডিস্ক, রিয়ার- ড্রাম

দ্রষ্টব্যঃ উল্লেখিত মূল্য সম্পর্কিত তথ্য পুরোপুরি সঠিক নাও হতে পারে। আমরা প্রস্তুতকারকের ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। আপনি যদি কোনো ভুল বা ভুল তথ্য পেয়ে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান।

নতুন বাজাজ মোটরসাইকেল বাজারে আসছে এই বছরের প্রান্তিকে –

Pulsar NS160 FI BS-VI

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৬০ সিসি

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, এসওএইচসি ৪ ভালভ

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৪৫ কিমি/লিঃ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১৫.২ বিএইচপি@ ৮৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১৪.৬ এনএম @ ৬৫০০

         ৭. ওজন: ১৫১ কেজি

         ৮. ব্রেক স্টাইল: ব্রেক ফ্রন্ট- ডিস্ক, রিয়ার- ডিস্ক

Bajaj Pulsar 125

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১২৫ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪-স্ট্রোক, একক-সিলিন্ডার

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৬২ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ১১.৮ বিএইচপি@ ৮৫০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ১১ এনএম @ ৬৫০০ আরপিএম

         ৭. ওজন: ১৪০ কেজি

         ৮. ব্রেক স্টাইল: ব্রেক ফ্রন্ট- ডিস্ক, রিয়ার- ড্রাম

Bajaj Platina 110 H Gear

         ১. ইঞ্জিন ডিসপ্লেসমেন্ট: ১১০ সিসি ইঞ্জিন

         ২. ইঞ্জিনের ধরন: ৪ স্ট্রোক, একক সিলিন্ডার

         ৩. মাইলেজ প্রতি লিটার: ৮৪ কিমি/লিঃ মাইলেজ

         ৪. সর্বোচ্চ গতির ক্ষমতা: ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

         ৫. সর্বোচ্চ শক্তি: ৮.৬ পিএস @ ৭০০০ আরপিএম

         ৬. সর্বোচ্চ টর্ক: ৯.৮১ এনএম @ ৫০০০ আরপিএম

         ৭. ওজন: ১২২ কেজি ওজন

         ৮. ব্রেক স্টাইল: ব্রেক ফ্রন্ট- ডিস্ক, রিয়ার- ড্রাম

পরিশেষে আমরা দেখলাম বাজাজ মোটরসাইকেলের দাম ২০২২ সালে কিছুটা বেড়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি, ইনফ্লেশন হাই এবং অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের কারণে সারা বিশ্বে প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। মোটরসাইকেলও এর বাইরে নয়। এই পরিস্থিতিতেও বাজাজ সুলভ মূল্যে মোটরসাইকেল বাজারজাত করে বাজার ধরে রেখেছে। নতুন বাজাজ মোটরসাইকেলও বাজারে এনেছে। ব্যাবসায়িক সুনাম, মান ভালো হওয়াও এর একটি প্রভাবক। সকল বয়সের মানুষের কাছে, সকল প্রফেশনের মানুষের কাছে বাজাজ মোটরসাইকেল প্রিয় একটি বাহন।



Leave a comment

Your email address will not be published.